Breaking







Showing posts with label জেনে রাখা ভালো. Show all posts
Showing posts with label জেনে রাখা ভালো. Show all posts

Monday, 11 May 2026

May 11, 2026

আন্তর্জাতিক নার্স দিবস কবে এবং কেন পালিত হয়?

International Nurses Day | আন্তর্জাতিক নার্স দিবস কবে এবং কেন পালিত হয়?

International Nurses Day | আন্তর্জাতিক নার্স দিবস কবে এবং কেন পালিত হয়?
আন্তর্জাতিক নার্স দিবস কবে এবং কেন পালিত হয়?
ওই আমাদের চোখের মণি
ওই আমাদের বুকের বল,
ওই আমাদের অমর প্রদীপ
ওই আমাদের আশার স্থল।

বহু অধ্যাবসায় ও সাধনায় মানুষ তথা মানব কুলের জানা-অজানা বিভিন্ন রোগ ব্যাধির আরোগ্য কামনায় ডাক্তারের সহকর্মী হিসাবে এই মহান পেশারুপে নার্সিং আজ চরম শিখরে পৌঁছেছে। মানুষের প্রয়োজনে মানুষকেই পাশে দাঁড়াতে হয়। সেই প্রয়োজন কখনও ব্যক্তিগত বা কখনও সামাজিক ক্ষেত্রে হলেও তা প্রয়োজন সমগ্র মানবজাতির প্রেক্ষিতে। এজন্য নার্সিং আজ একটি মহৎ কর্মরূপে সমগ্র পৃথিবীতে বন্দিত।

যাঁহারা পরম সহিষ্ণুতায় লালন করে সেবাপ্রাপক অসুস্থ্য মানুষকে করে তোলে সুস্থ। তাই বলা যায় নার্সরাই হলেন স্বাস্থ্যকেন্দ্র, হাসপাতাল, নার্সিংহোম সর্বোপরি এ ধরাধামের সেবায়ত ভবিষ্যৎ কর্ণধার।

প্রসঙ্গত এই ধরাধামে সাম্প্রতিক যে বিশ্ব যুদ্ধ ঘটে যেখানে শত্রুরূপী নোবেল করোনা ভাইরাসকে কার্যত অদৃশ্য প্রায় করে তুলেছে স্বাস্থ্যকর্মীরা। নিজের জীবনের ঝুঁকি নিয়েই লড়াইয়ের মুখে ঢাল হয়ে দাঁড়িয়ে থাকা স্বাস্থ‍্যকর্মীদের এক বৃহৎ অংশই হল নার্স বা সেবিকা। তাই আজ ১২মে আন্তর্জাতিক নার্স দিবস-এ দাঁড়িয়ে তাদের প্রতি যথার্থ সম্মান জানাতেই এই প্রতিবেদন।

সমগ্র বিশ্বে নার্সদের প্রতি যথাযোগ্য সম্মান ও অভিবাদন জানাতে বহুমুখী কর্মপ্রতিভার অধিকারী ‘লেডি উইথ দ্য ল্যাম্প’ খ্যাত ফ্লোরেন্স নাইটিঙ্গেলের জন্মদিন উপলক্ষে ১৯৭৪ সাল থেকে ১২ই মে এই দিনটিকে ‘আন্তর্জাতিক নার্স দিবস’ হিসাবে পালন করা হয়।

ফ্লোরেন্স নাইটিঙ্গেল—

১৮২০ সালের ১২ই মে ইতালির ফ্লোরেন্স অঞ্চলের এক অভিজাত পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন ফ্লোরেন্স নাইটিঙ্গেল। শিশুজীবন থেকেই ব্যথিত ব্যথাজনিত জর্জরিত মানুষের জন্য তার কোমল হৃদয় বারে বারেই কেঁদে উঠতো। তাই কৈশোরকাল থেকেই মানবতার প্রতি গভীর মমত্ববোধ, সহানুভূতি ও সমবেদনার বর্ষপূর্তি হয়েই সেবিকাবৃত্তি গ্রহণের মাধ্যমে মানসিক ও শারীরিক ভাবে উৎসর্গীকৃত করেন। ১৮৫৩ সালে প্যারিসের এক মিশনারী হাসপাতালে নার্স হিসাবে যোগদান করেন । ঐ বছরই শুরু হওয়া ক্রিমিয়ার যুদ্ধে আহত, পঙ্গু, যুদ্ধকাতর সৈনিকদের কয়েক বছর প্রতিনিহত দৈনিক ২০ ঘন্টা সেবাপ্রদানের মাধ্যমে সারিয়ে তুলে গেছেন। একারণেই আধুনিক নার্সের জনক হিসাবে ফ্লোরেন্স নাইটিঙ্গেল Lady with the Lamp / দ্বীপ হাতে রমনী নামেই অতি পরিচিত। নার্সিংকে সেবামূলক পেশারুপে প্রতিষ্ঠিত করার জন্য ১৮৬০ সালে প্রতিষ্ঠা করেন ‘নাইটিঙ্গেল ট্রেনিং স্কুল’ (বর্তমানে যেটি ‘ফ্লোরেন্স নাইটিঙ্গেল স্কুল অব নার্সিং’ নামে পরিচিত)।

ভারতবর্ষে গ্রামীণ মানুষের সেবায় এ দেশের স্বাস্থ্য ব্যবস্থা নিয়ে দীর্ঘদিন গবেষণা চালান ও উন্নত স্বাস্থ্য পরিষেবা প্রদান করার জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। মানুষের সেবায় দৃষ্টান্তমূলক অবদানের জন্য ১৮৮৩ সালে মহারাণী ভিক্টোরিয়া তাকে ‘রয়েল রেডক্রস’ সম্মানে সম্মানিত করেন। এছাড়াও ১৯০৭ সালে প্রথম মহিলা হিসাবে ‘অর্ডার অব মেরিড’ ও ১৯০৮ সালে লন্ডনে ‘অনারারি ফ্রিডম’ পুরস্কারে ভূষিত হন। এর পরবর্তীতে আকস্মিক ভাবে নিজেই পঙ্গু রোগে আক্রান্ত হয়ে দীর্ঘদিন রোগযন্ত্রনা পেয়ে ১৯১০ সালের ১৩ই আগস্ট পরলোক গমন করেন।

আন্তর্জাতিক নার্স দিবস কবে পালিত হয়?
উত্তর: প্রতি বছর ১২ই মে আন্তর্জাতিক নার্স দিবস পালন করা হয়। 

২০২৬ সালের আন্তর্জাতিক নার্স দিবসের থিম কি?
উত্তর: ২০২৬ সালের আন্তর্জাতিক নার্স দিবসের থিম হলো- “Our Nurses. Our Future. Empowered Nurses Save Lives”

Friday, 8 May 2026

May 08, 2026

মাধ্যমিকের পর কী নিয়ে পড়ব | সাইন্স, আর্টস নাকি কমার্স

মাধ্যমিকের পর কী নিয়ে পড়ব | সাইন্স, আর্টস নাকি কমার্স | Best Career Options After Passing Madhyamik Exam

মাধ্যমিকের পর কী নিয়ে পড়ব | সাইন্স, আর্টস নাকি কমার্স | Best Career Options After Passing Madhyamik Exam
মাধ্যমিকের পর কী নিয়ে পড়ব — সাইন্স, আর্টস নাকি কমার্স
কলম ✏ 
সুপ্রিয় বন্ধুরা,
প্রতিটি শিক্ষার্থীর জীবনের প্রথম বড় পরীক্ষা হল মাধ্যমিক পরীক্ষা। আর এই পরীক্ষার পরেই সবার মনে যে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নটি আসে, তা হল— মাধ্যমিকের পর কী নিয়ে পড়ব? অথবা কোন স্ট্রিম নিলে ভবিষ্যৎ ভালো হবে?

মাধ্যমিকের পর পড়াশোনা মূলত তিনটি বিভাগে বিভক্ত হয়ে যায়— সাইন্স (Science), আর্টস (Arts) এবং কমার্স (Commerce)। এখন প্রশ্ন হল, এই তিনটির মধ্যে কোনটি বেছে নেওয়া উচিত?

এই আর্টিকেলটিতে আমরা সহজভাবে বিস্তারিত আলোচনা করেছি—
  • আর্টস নিয়ে পড়লে কী কী বিষয় পড়তে হয় এবং ভবিষ্যতে কী কী চাকরির সুযোগ রয়েছে
  • কমার্সে কী কী বিষয় থাকে এবং এই স্ট্রিম নিয়ে পড়লে কী হওয়া যায়
  • সাইন্সে কী কী বিষয় পড়ানো হয় এবং এই স্ট্রিম থেকে কী কী ক্যারিয়ার গড়ে তোলা সম্ভব

তাই তুমি যদি মাধ্যমিকের পর সঠিক স্ট্রিম নির্বাচন নিয়ে দ্বিধায় থাকো, তাহলে এই আর্টিকেলটি তোমাকে সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে সাহায্য করবে।

আর্টস (Arts):

যদি ইতিহাস, ভূগোল, রাষ্ট্রবিজ্ঞান, বাংলা, ইংরেজি ইত্যাদি বিষয় ভালো লাগে তাহলে আর্টস নেওয়া একদম ঠিক।

আর্টস এর সাবজেক্ট কি কি?

  • ইতিহাস
  • ভূগোল
  • এডুকেশন
  • সংস্কৃত
  • রাষ্ট্রবিজ্ঞান
  • সমাজবিজ্ঞান
  • সাইকোলজি
  • অর্থনীতি
  • পরিবেশ বিদ্যা
  • পুষ্টি বিজ্ঞান
  • মিউজিক
  • ফাইন আর্টস
  • শারীরশিক্ষা

আর্টস নিয়ে পড়লে কি কি চাকরি পাওয়া যায়?

আর্টস বিভাগে পড়াশোনা করে যে যে ক্যারিয়ার অপশনগুলি পাওয়া যায়, সেগুলি হলো— শিক্ষক, অধ্যাপক, গবেষক, লেখক, সাংবাদিক, প্রকাশক, ভাষাবিদ, আইনজীবী, সমাজকর্মী, রাজনৈতিক কর্মী, ব্যবস্থাপক, বিশ্লেষক, কূটনীতিক ইত্যাদি।

সাইন্স (Science):

যদি তোমার আগ্রহ থাকে গণিত, পদার্থবিদ্যা, রসায়ন বা জীববিজ্ঞানে তাহলে সাইন্স হতে পারে সেরা অপশন।

সাইন্স এর সাবজেক্ট কি কি?

  • গণিত
  • পদার্থবিজ্ঞান
  • রসায়ন বিজ্ঞান
  • জীববিজ্ঞান 
  • পরিবেশ বিজ্ঞান
  • বায়োটেকনোলজি
  • কম্পিউটার সাইন্স
  • ইঞ্জিনিয়ারিং গ্রাফিক্স 
  • জিওলজি

সাইন্স নিয়ে পড়লে কি কি হওয়া যায়?

সাইন্স বিভাগে পড়াশোনা করে ডাক্তার ও ইঞ্জিনিয়ার ছাড়াও কৃষি গবেষক, পরিসংখ্যানবিদ, রসায়নবিদ, পদার্থবিজ্ঞানী, গণিতবিদ, প্রাণীবিজ্ঞানী, উদ্ভিদবিজ্ঞানী, মনোবিজ্ঞানী, পরিবেশ বিজ্ঞানী, ফার্মাসিস্ট ইত্যাদি আরো অনেক কিছু হওয়া যায়।

যারা ডাক্তারি লাইনে তথা মেডিকেল নিয়ে পড়তে ইচ্ছুক তাদের একাদশ শ্রেণিতে পদার্থবিজ্ঞান, রসায়ন বিজ্ঞান, জীববিজ্ঞান প্রধান বিষয় হিসাবে রাখতে হবে। মেডিকেলে সফলতার জন্য জীববিজ্ঞান বিষয়টি খুব ভালোভাবে পড়তে হবে। মেডিকেল লাইনে পড়াশোনা করে যে যে ক্যারিয়ার অপশনগুলি পাওয়া যায়, সেগুলি হলো— ডাক্তার, ডেন্টিস, ভেটেনারি, আয়ুর্বেদ, হোমিওপ্যাথি, ফুড টেকনোলজি, হার্টি কালচার, মেডিসিন ইত্যাদি। 

যারা ইঞ্জিনিয়ারিং লাইনে পড়তে ইচ্ছুক তাদের একাদশ শ্রেণিতে পদার্থবিজ্ঞান, রসায়ন বিজ্ঞান এবং গণিত বিষয়গুলি থাকা বাধ্যতামূলক। ইঞ্জিনিয়ারিং পড়ার জন্য পদার্থবিজ্ঞান এবং গণিত বিষয়ে দক্ষ হওয়া প্রয়োজন। ইঞ্জিয়ারিং নিয়ে পড়াশোনা করে যে যে ক্যারিয়ার অপশনগুলি পাওয়া যায়, সেগুলি হলো— সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং, মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং, ইলেকট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং, কেমিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং, নিউক্লিয়ার ইঞ্জিনিয়ারিং, ইন্ডাস্ট্রিয়াল ইঞ্জিনিয়ারিং ইত্যাদি।

কমার্স (Commerce):

যদি ব্যবসা, হিসাব-নিকাশ, ফিন্যান্স বা ব্যাংকিং-এর দিকে আগ্রহ থাকে, তাহলে কমার্স ভালো চয়েস।

কমার্স এর সাবজেক্ট কি কি?

  • অ্যাকাউন্টেন্সি
  • ইকোনমিক 
  • বিজনেস স্টাডিজ
  • গণিত 
  • ইনফোরম্যাটিক্স প্র্যাকটিসেস 
  • ম্যানেজমেন্ট
  • বিজনেস ফাইন্যান্স
  • মার্কেটিং

কমার্স নিয়ে পড়লে কি কি হওয়া যায়?

কমার্স নিয়ে পড়াশোনা করে যে যে ক্যারিয়ার অপশনগুলি পাওয়া যায়, সেগুলি হলো— ব্যাংকার, একাউন্টেন্ট, চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্ট, ফিনান্সিয়াল প্লানার, ম্যানেজমেন্ট অ্যাকাউন্টিং, অ্যাকচুয়ারি, ভেঞ্চার ক্যাপিটালিস্ট, এগ্রিকালচার ইকোনমিক্স, প্রোডাক্ট ম্যানেজার, সেলস ম্যানেজার, লোন এক্সিকিউটিভ ইত্যাদি। 

উপরোক্ত তিনটি বিভাগ ছাড়াও আরও কিছু কোর্স রয়েছে, সেগুলি করে সুন্দর ভবিষ্যৎ তৈরি করা যায়-

ITI (Industrial Training Institute)

আইটিআই যার পুরো কথা ইন্ডাস্ট্রিয়াল ট্রেনিং ইনস্টিটিউট। এটি একটি শিক্ষামূলক প্রতিষ্ঠান, যা শিক্ষার্থীদের বৃত্তিমূলক প্রশিক্ষণ প্রদান করে। এটি একটি সরকার ভিত্তিক প্রশিক্ষণ সংস্থা। বর্তমানে চাকরিমুখী বিভিন্ন ITI কোর্সগুলি হলো—
  • সিভিল ইঞ্জিনিয়ার
  • ড্রাপস অফ মেকালিক্যাল
  • ইলেক্ট্রিশিয়ান 
  • অটো ইলেক্ট্রিশিয়ান 
  • কম্পিউটার হার্ডওয়ার 
  • ফ্রিটার 
  • নেটওয়াকিং

Polytechnic Course

পলিটেকনিক কোর্স হল একটি ডিপ্লোমা কোর্স। এটি তিন বছরের একটি ইঞ্জিনিয়ারিং কোর্স। পলিটেকনিক কোর্স শেষ করার পর ছাত্রছাত্রীরা সরকারি অথবা বিভিন্ন বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে চাকরি করতে পারে। জনপ্রিয় পলিটেকনিক কোর্সগুলি হলো—
  • ডিপ্লোমা ইন সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং
  • ডিপ্লোমা ইন ইলেকট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং
  • ডিপ্লোমা ইন বায়োটেকনোলজি ইঞ্জিনিয়ারিং
  • ডিপ্লোমা ইন ইলেকট্রনিক্স অ্যান্ড কমিউনিকেশন ইঞ্জিনিয়ারিং
  • ডিপ্লোমা ইন অটোমোবাইল ইঞ্জিনিয়ারিং
  • ডিপ্লোমা ইন কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং
  • ডিপ্লোমা ইন মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং 
  • ডিপ্লোমা ইন অ্যারোনটিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং
এছাড়াও প্যারাম্যডিক্যাল, হোটেল ম্যানেজমেন্ট, হাউস কিপিং, হোটেল অপারেশন কোর্স ইত্যাদি। 

কিছু টিপস—

  • নিজের আগ্রহ ও পছন্দকে গুরুত্ব দাও
  • অন্যের কথা শুনে সিদ্ধান্ত নিও না
  • ভবিষ্যতে কী হতে চাও, সেটা ভাবো
  • নিজের শক্তি ও দুর্বলতা বুঝে নাও

সব স্ট্রিমই ভালো—কোনোটাই ছোট বা বড় নয়। সঠিক পরিশ্রম আর পরিকল্পনা থাকলে তুমি যেকোনো স্ট্রিম থেকেই সফল হতে পারো।

Sunday, 3 May 2026

May 03, 2026

EWS সার্টিফিকেট কী? সুবিধা, যোগ্যতা ও আবেদন পদ্ধতি

EWS Certificate: কী, কারা পাবেন ও কীভাবে আবেদন করবেন | EWS Certificate Details in Bengali

EWS Certificate: কী, কারা পাবেন ও কীভাবে আবেদন করবেন | EWS Certificate Details in Bengali
EWS সার্টিফিকেট কী? সুবিধা, যোগ্যতা ও আবেদন পদ্ধতি
কলম ✏ 
সুপ্রিয় বন্ধুরা,
আজকের পোস্টে EWS সার্টিফিকেট সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে। এখানে EWS সার্টিফিকেট কী, এর সুবিধা, পাওয়ার যোগ্যতা, প্রয়োজনীয় ডকুমেন্টস এবং আবেদন পদ্ধতি সবকিছু সহজভাবে তুলে ধরা হয়েছে।

EWS-এর পুরো নাম কী?

EWS কথাটির পূর্ণরূপ হলো Economically Weaker Section (ইকনমিকালি উইকার সেকশন)।
এর বাংলা অর্থ হলো অর্থনৈতিকভাবে দুর্বল শ্রেণি।

EWS সার্টিফিকেট কী?

EWS সার্টিফিকেট হলো জেনারেল (General/UR) শ্রেণির অর্থনৈতিকভাবে দুর্বল প্রার্থীদের জন্য একটি সংরক্ষণমূলক সার্টিফিকেট।

এই সার্টিফিকেটের মাধ্যমে অর্থনৈতিকভাবে পিছিয়ে পড়া জেনারেল শ্রেণিভুক্তরা শিক্ষা ও সরকারি চাকরির ক্ষেত্রে ১০% সংরক্ষণ সুবিধা পেয়ে থাকেন।

EWS সার্টিফিকেটের সুবিধা―

যাদের কাছে EWS সার্টিফিকেট থাকবে, তারা শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও সরকারি চাকরির ক্ষেত্রে ১০% সংরক্ষণ (Reservation) সুবিধা পাবেন। এর ফলে ভর্তি ও নিয়োগের ক্ষেত্রে অতিরিক্ত সুযোগ পাওয়া যায়।

EWS সার্টিফিকেট কারা আবেদন করতে পারে?

  • নিম্নলিখিত শর্তগুলি পূরণ করলে EWS সার্টিফিকেটের জন্য আবেদন করা যায়—
  • আবেদনকারীকে অবশ্যই জেনারেল (UR) শ্রেণিভুক্ত হতে হবে। 
  • পরিবারের বার্ষিক আয় ৮ লক্ষ টাকার কম হতে হবে। 
  • পরিবারের মালিকানাধীন কৃষিজমি ৫ একরের বেশি হওয়া যাবে না। 
  • ফ্ল্যাট বা বাড়ির আয়তন ১০০০ বর্গফুটের মধ্যে হতে হবে। 

EWS সার্টিফিকেটের জন্য কী কী ডকুমেন্ট লাগে?

EWS সার্টিফিকেটের জন্য সাধারণত নিম্নলিখিত নথিপত্র প্রয়োজন হয়—
  • ভোটার কার্ড
  • প্যান কার্ড
  • আবেদনকারী ও পিতামাতার স্থায়ী বাসিন্দার সার্টিফিকেট
  • জন্ম সার্টিফিকেট বা মাধ্যমিকের অ্যাডমিট কার্ড
  • জমি ও সম্পত্তির নথি
  • স্ব-ঘোষণা পত্র (Self Declaration)

কীভাবে EWS সার্টিফিকেটের জন্য আবেদন করতে হয়?

EWS সার্টিফিকেটের জন্য সাধারণত অফলাইনের মাধ্যমে আবেদন করতে হয়। আবেদন করার ধাপগুলো হলো—
  • EWS Annexure-A ফর্মটি সংগ্রহ করুন
  • ফর্মটি সঠিকভাবে পূরণ করুন
  • প্রয়োজনীয় নথিপত্র সংযুক্ত করুন
  • নির্দিষ্ট অফিসে (BDO/SDO/Municipality) জমা দিন

EWS সার্টিফিকেট আবেদনপত্র কোথায় জমা দেবেন?

প্রয়োজনীয় ডকুমেন্টসসহ আবেদনপত্রটি ডিস্ট্রিক্ট ম্যাজিস্ট্রেট (DM)/ অ্যাডিশনাল ডিস্ট্রিক্ট ম্যাজিস্ট্রেট (ADM)/ সাব-ডিভিশনাল অফিসার (SDO)-এর নিকট জমা করতে হবে।

কলকাতার বাসিন্দাদের ক্ষেত্রে আবেদনপত্রটি DWO (District Welfare Office)-এর কাছে জমা দিতে হবে।

West Bengal EWS Annexure-A Form PDF

Download

Sunday, 26 April 2026

April 26, 2026

স্টেনোগ্রাফার কি | স্টেনোগ্রাফার এর কাজ কি

স্টেনোগ্রাফার কি? কাজ, যোগ্যতা ও বেতন বিস্তারিত | Stenographer Job Details in Bengali

স্টেনোগ্রাফার কি | স্টেনোগ্রাফার এর কাজ কি
কলম ✏ 
সুপ্রিয় বন্ধুরা,
বর্তমান সময়ে সরকারি ও বেসরকারি বিভিন্ন দপ্তরে দ্রুত ও নির্ভুলভাবে তথ্য লিপিবদ্ধ করার গুরুত্ব অনেক বেড়েছে। বিশেষ করে মিটিং, বক্তৃতা বা অফিশিয়াল আলোচনার প্রতিটি গুরুত্বপূর্ণ কথা সঠিকভাবে সংরক্ষণ করা অত্যন্ত প্রয়োজন। আর এই কাজটিই দক্ষতার সঙ্গে সম্পন্ন করেন একজন স্টেনোগ্রাফার

আর আজকের এই পোস্টে স্টেনোগ্রাফার কী, তাদের কাজ, প্রয়োজনীয় যোগ্যতা ও বেতনসহ গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সংক্ষেপে উপস্থাপন করা হয়েছে, যার মাধ্যমে স্টেনোগ্রাফার পেশা সম্পর্কে একটি সুস্পষ্ট ধারণা পাওয়া যাবে।

স্টেনোগ্রাফার কি?

একজন স্টেনোগ্রাফার হলেন যিনি কথ্য শব্দ লিখিত আকারে প্রতিলিপিতে বিশেষজ্ঞ। অর্থাৎ একজন স্টেনোগ্রাফার হলেন এমন একজন ব্যক্তি যার কাজ হল অন্য কেউ যা বলে তা একটি সংক্ষিপ্ত চিহ্ন ব্যবহার করে দ্রুত লিখিত আকারে প্রতিলিপি করা।

বিভিন্ন সিনেমা বা টিভি শোতে আপনি হয়তো লক্ষ্য করেছেন কেউ একজন বিচারক, আইনজীবী এবং সাক্ষীরা আদালতের কক্ষে যা বলছে তা টাইপ করছে, সেই স্টেনোগ্রাফার। অর্থাৎ একজন স্টেনোগ্রাফার আদালতের প্রক্রিয়া চলাকালীন যা ঘটে তা রেকর্ড করেন।

স্টেনোগ্রাফারের কাজ কি?

একজন স্টেনোগ্রাফার এর কাজ হল স্টেনো মেশিনে একটি অনন্য সংক্ষিপ্ত লেখার শৈলী ব্যবহার করে একটি লিখিত শব্দচয়ন রেকর্ড করা। স্টেনোগ্রাফার বিভিন্ন ক্ষেত্রে কাজ করেন যেমন কোর্টরুম, কোনো আইনি কার্যক্রম কর্পোরেট অফিস, ইন্টেলিজেন্ট বিভাগ, সংবাদপত্র বা নিউজ চ্যানেল এবং প্রতিরক্ষা খাত ইত্যাদি।

স্টেনোগ্রাফি কি?

স্টেনোগ্রাফি শর্টহ্যান্ড স্টেনোটাইপে লেখার প্রক্রিয়া, শর্টহ্যান্ড ব্যবহারের জন্য স্টেনোগ্রাফারদের দ্বারা ব্যবহৃত একটি বিশেষ কর্ডেড কীবোর্ড বা টাইপরাইটার।

কোথায় স্টেনোগ্রাফারের চাকরি পাওয়া যায়?

  • কেন্দ্রীয় ও রাজ্য সরকারী দপ্তর
  • আদালত 
  • মন্ত্রণালয় ও বিভিন্ন অফিস
  • প্রাইভেট কোম্পানি

স্টেনোগ্রাফার কিভাবে হওয়া যায়?

স্টেনোগ্রাফার হতে হলে প্রথমে ন্যূনতম উচ্চ মাধ্যমিক পাশ করতে হয়, এরপর শর্টহ্যান্ড (Stenography) শেখা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, কারণ এই দক্ষতার মাধ্যমেই দ্রুত কথাকে লিখে নেওয়া সম্ভব হয়। এরপর SSC বা বিভিন্ন রাজ্য সরকারি স্টেনোগ্রাফার পরীক্ষায় অংশ নিয়ে লিখিত পরীক্ষা ও স্কিল টেস্ট উত্তীর্ণ হতে হয়। এই ধাপগুলো সফলভাবে সম্পন্ন করতে পারলেই একজন স্টেনোগ্রাফার হিসেবে সরকারি বা বেসরকারি দপ্তরে চাকরির সুযোগ পাওয়া যায়।

স্টেনোগ্রাফি কে আবিষ্কার করেন?

১৮৩৭ সালে স্যার আইজাক পিটম্যান স্টেনোগ্রাফি আবিষ্কার করেন।

স্টেনোগ্রাফারের বেতন কত? 

একজন এসএসসি স্টেনোগ্রাফারের মাসিক বেতন ৯,৩০০/- থেকে ৩৪,৮০০/- টাকা পর্যন্ত। এছাড়াও সঙ্গে বিভিন্ন সরকারী ভাতা প্রদান করা হয়ে থাকে।

SSC স্টেনোগ্রাফার যোগ্যতা―

যেকোনো স্বীকৃত বোর্ড থেকে উচ্চ মাধ্যমিক পাশ করতে হবে এবং অবশ্যই স্টেনোগ্রাফি ডিগ্রী থাকতে হবে।


স্টেনোগ্রাফারের বয়সসীমা―

SSC স্টেনোগ্রাফার পদে আবেদনের জন্য প্রার্থীর বয়স ১৮ থেকে ৩০ বছরের মধ্যে হতে হবে।

Sunday, 19 April 2026

April 19, 2026

পলিটেকনিক কোর্স কি | যোগ্যতা, খরচ, কাজের সুবিধা

পলিটেকনিক কোর্স কি | যোগ্যতা, খরচ, কাজের সুবিধা | Polytechnic Course Details in Bengali 

পলিটেকনিক কোর্স কি | যোগ্যতা, খরচ, কাজের সুবিধা | Polytechnic Course Details in Bengali
পলিটেকনিক কোর্স কি | যোগ্যতা, খরচ, কাজের সুবিধা
কলম 
সুপ্রিয় বন্ধুরা,
আজকের এই প্রতিবেদনে পলিটেকনিক কোর্স সম্পর্কে বিস্তারিতভাবে আলোচনা করা হয়েছে। এখানে পলিটেকনিক কোর্স কি, পলিটেকনিকে ভর্তির যোগ্যতা, পড়াশোনার খরচ, কোর্সের বিভিন্ন বিভাগ (ট্রেড), পড়ার সুবিধা এবং ভবিষ্যতে কাজের সুযোগ—সবকিছুই সহজ ও পরিষ্কারভাবে তুলে ধরা হয়েছে।

Polytechnic Course
কোর্সের নাম পলিটেকনিক
কোর্সের মেয়াদ ৩ বছর
শিক্ষাগত যোগ্যতা মাধ্যমিক পাশ
বয়সসীমা নির্দিষ্ট কোনো বয়সসীমা নেই
ভর্তি প্রক্রিয়া প্রবেশিকা পরীক্ষার মাধ্যমে

বর্তমানে টেকনিক্যাল শিক্ষার গুরুত্ব দিন দিন বাড়ছে। যারা কম সময়ের মধ্যে দক্ষতা অর্জন করে দ্রুত চাকরিতে যেতে চান, তাদের জন্য পলিটেকনিক কোর্স একটি খুবই ভালো অপশন।

পলিটেকনিক কোর্স কি?

পলিটেকনিক হল তিন বছরের একটি ইঞ্জিনিয়ারিং কোর্স। এই কোর্স শেষ করার পর ইঞ্জিনিয়ারিং-এর ডিপ্লোমা লাভ করা যায়। পলিটেকনিক কোর্স শেষ করার পর ছাত্রছাত্রীরা চাকরির চেষ্টা করতে পারে অথবা ইঞ্জিনিয়ারিং-এ গ্র্যাজুয়েশন করতে করতে পারে।

পলিটেকনিক কোর্স কত বছরের?

সাধারণত পলিটেকনিক কোর্সগুলি তিন বছরের হয়ে থাকে।

পলিটেকনিক কোর্সের তালিকা

পলিটেকনিক কোর্সে বিভিন্ন ট্রেড বা বিভাগ রয়েছে, যেমন—
  • সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং
  • মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং
  • ইলেকট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং
  • কেমিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং
  • কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং
  • ইলেকট্রনিক অ্যান্ড কমিউনিকেশন ইঞ্জিনিয়ারিং
  • ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক্স ইঞ্জিনিয়ারিং
  • অটোমোবাইল

পলিটেকনিকে ভর্তির যোগ্যতা

পলিটেকনিক কোর্সে ভর্তি হতে গেলে ন্যূনতম ৩৫ শতাংশ নম্বর নিয়ে মাধ্যমিক পাশ করতে হবে। 

পলিটেকনিকে ভর্তির বয়সসীমা—

পলিটেকনিক কোর্সে আবেদনের জন্য নির্দিষ্ট কোন বয়সসীমা নেই।

সরকারি পলিটেকনিক ভর্তির যোগ্যতা

সরকারি পলিটেকনিক কলেজে ভর্তির জন্য শিক্ষার্থীদের JEXPO (জয়েন্ট এন্ট্রান্স এক্সামিনেশন ফর পলিটেকনিক্স) এন্ট্রান্স পরীক্ষা দিতে হয়। এই এন্ট্রান্স পরীক্ষায় প্রাপ্ত নম্বরের ভিত্তিতে একটি মেধা তালিকা তৈরি করা হয়। আর এই মেধা তালিকা অনুসারে শিক্ষার্থীরা তাদের পছন্দ মতো স্ট্রিম এবং কলেজ নির্বাচন করতে পারবে।

বেসরকারি পলিটেকনিক ভর্তি যোগ্যতা

বেসরকারি পলিটেকনিক কলেজে JEXPO এন্ট্রান্স পরীক্ষা না দিয়ে সরাসরি ভর্তি হওয়া যায়।

JEXPO পরীক্ষা

JEXPO পরীক্ষাটি ১০০ নম্বরের হয়, মোট ৫টি বিষয় (কেমিস্ট্রি-১০, ফিজিক্স-১০, ম্যাথমেটিক্স-৪০, ইংলিশ-২০, অ্যাপটিটিউড-২০) থেকে প্রশ্ন আসে এবং সময়সীমা থাকে ২ ঘণ্টা। প্রশ্নগুলি MCQ টাইপ হয়ে থাকে ও একটি প্রশ্নের ৪টি করে বিকল্প উত্তর দেওয়া থাকে। পরীক্ষাটি বাংলা ও ইংরেজি এই দুটি ভাষায় অফলাইনে হয়ে থাকে।


পলিটেকনিক ভর্তি পরীক্ষার বিষয়সমূহ—

  • কেমিস্ট্রি (Chemistry)
  • ফিজিক্স (Physics)
  • ম্যাথমেটিক্স (Mathematics)
  • ইংলিশ (English)
  • অ্যাপটিটিউড (Aptitude)

পলিটেকনিক পড়ার খরচ

সরকারি পলিটেকনিক কলেজে পড়ার খরচ অনেকটাই কম, শুধুমাত্র হোস্টেলে থাকা ও খাওয়ার খরচটুকু লাগে।

বেসরকারি পলিটেকনিক খরচ

বেসরকারি পলিটেকনিক ইন্সটিটিউটে পড়ার খরচ অনেকটাই বেশি। বেসরকারি পলিটেকনিক কলেজ থেকে কোর্স করলে প্রায় ৫০,০০০/- থেকে ২,০০,০০০/- টাকা বা তারও বেশি খরচ হতে পারে।

পলিটেকনিকে পড়ার সুবিধা

পলিটেকনিক কোর্স শেষে বিদ্যুৎ বিভাগ, ভারতীয় রেল, রাইফেল ফ্যাক্টরি প্রভৃতি সরকারী ক্ষেত্রগুলিতে জুনিয়ার ইঞ্জিনিয়ার হিসাবে চাকরির সুবিধা রয়েছে। এছাড়াও বিভিন্ন বেসরকারি কোম্পানিগুলিতেও সহজে চাকরি পাওয়া যায়।

Sunday, 12 April 2026

April 12, 2026

বাড়ির নম্বর কিভাবে বের করব | How to Find House Number in West Bengal

কিভাবে বাড়ির নাম্বার বের করবেন । How to Find House Number in West Bengal Online

কিভাবে বাড়ির নাম্বার বের করবেন । How to Find House Number in West Bengal Online
বাড়ির নম্বর কিভাবে বের করব | How to Find House Number in West Bengal
কলম 
নমস্কার বন্ধুরা,
বিভিন্ন চাকরির পরীক্ষার ফর্ম বা সরকারি প্রকল্পে আবেদন করার সময় অনেক ক্ষেত্রেই বাড়ির নম্বর (House Number) প্রয়োজন হয়। কিন্তু অনেকেই নিজেদের বাড়ির সঠিক নম্বর জানেন না বা খুঁজে পান না। তাই আজকের এই পোস্টে অনলাইনের মাধ্যমে খুব সহজে কিভাবে বাড়ির নম্বর বের করবেন, তার সম্পূর্ণ প্রক্রিয়াটি ধাপে ধাপে তুলে ধরা হলো।

এই প্রতিবেদনে বাড়ির নম্বর চেক করার সম্পূর্ণ প্রক্রিয়া সহজভাবে তুলে ধরা হয়েছে। এর ফলে আপনারা ঘরে বসেই দ্রুত নিজের বাড়ির নম্বর জেনে নিতে পারবেন এবং কোনো ধরনের সমস্যার সম্মুখীন না হয়ে সহজেই ফর্ম ফিলআপ সম্পন্ন করতে পারবেন।

How to Find House Number in West Bengal


বাড়ির নম্বর (House Number) জানতে নিচের ধাপগুলি পর্যায়ক্রমে অনুসরণ করুন—
  • প্রথমে Google-এ গিয়ে “Voter Card” লিখে সার্চ করুন।
  • সার্চ রেজাল্ট থেকে Election Commission of India-এর অফিসিয়াল ওয়েবসাইট https://voters.eci.gov.in/ -এ প্রবেশ করুন।
  • ওয়েবসাইটে প্রবেশ করার পর “Download Electoral Roll” অপশনটিতে ক্লিক করুন।
  • এরপর আপনার State সিলেক্ট করুন।
  • State সিলেক্ট করার পর District এবং Assembly Constituency নির্বাচন করার অপশন আসবে। সঠিকভাবে সেগুলি নির্বাচন করুন।
  • প্রদর্শিত Captcha Code সঠিকভাবে পূরণ করুন।
  • এরপর আপনার Part No অথবা Part Name লিখে সার্চ করুন।
  • Search করার সময় Part No এবং Part Name-এ টিক চিহ্ন দিন।
  • এরপর “Download Selected PDFs” বাটনে ক্লিক করুন।
  • ডাউনলোড করা PDF ফাইলটি ওপেন করুন এবং সেখান থেকে আপনার বাড়ির নম্বর দেখে নিন।
🔔 ছবিসহ স্টেপ বাই স্টেপ দেখার জন্য নীচে দেওয়া গাইড পিডিএফটি সংগ্রহ করুন। 

গুরুত্বপূর্ণ লিঙ্কসমূহ—

Thursday, 2 April 2026

April 02, 2026

মাধ্যমিক পাশে কি কি সরকারি চাকরি পাওয়া যায় | মাধ্যমিক পাশে কি কি চাকরি আছে

মাধ্যমিক পাশে কি কি চাকরি আছে 2026 | Madhyamik Pass Government Job | Government Jobs After 10th Pass

মাধ্যমিক পাশে কি কি সরকারি চাকরি পাওয়া যায় | মাধ্যমিক পাশে কি কি চাকরি আছে | Government Jobs After 10th Pass
মাধ্যমিক পাশে কি কি সরকারি চাকরি পাওয়া যায় | মাধ্যমিক পাশে কি কি চাকরি আছে
কলম 
সুপ্রিয় বন্ধুরা,
বর্তমান সময়ে চাকরির প্রতিযোগিতা দিন দিন বেড়েই চলেছে। অনেকেই মনে করেন, ভালো সরকারি চাকরি পেতে হলে উচ্চশিক্ষা থাকা জরুরি। কিন্তু এই ধারণা সম্পূর্ণ সঠিক নয়। মাধ্যমিক পাশ করার পরেও দেশে এমন অনেক সরকারি চাকরির সুযোগ রয়েছে, যেখানে অল্প শিক্ষাগত যোগ্যতায়ই ভালো ক্যারিয়ার গড়া সম্ভব।

এই পোস্টে আমরা বিস্তারিতভাবে জানবো—মাধ্যমিক পাশ করলে কি কি সরকারি চাকরির সুযোগ রয়েছে। অনেকেরই ধারণা, কম শিক্ষাগত যোগ্যতায় ভালো চাকরি পাওয়া সম্ভব নয়, কিন্তু বাস্তবে কেন্দ্র ও রাজ্য সরকারের অধীনে মাধ্যমিক পাশ প্রার্থীদের জন্য একাধিক চাকরির সুযোগ রয়েছে।

এখানে সেই সমস্ত গুরুত্বপূর্ণ চাকরির নামের পাশাপাশি বয়সসীমা, বেতন এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় বিষয়গুলি সহজভাবে তুলে ধরা হলো।

মাধ্যমিক পাশে সরকারি চাকরি


গ্রামীণ ডাক সেবক

  • বয়সসীমা: ১৮ থেকে ৪০ বছর
  • মাসিক বেতন: ১০,০০০/- থেকে ২৪,৪৭০/- টাকা পর্যন্ত 
  • রিক্রুটমেন্ট বোর্ড: ভারতীয় ডাক বিভাগ
  • অফিশিয়াল ওয়েবসাইট: indiapostgdsonline.gov.in

পশ্চিমবঙ্গ পুলিশ কনস্টেবল

  • বয়সসীমা: ১৮ থেকে ২৭ বছর 
  • মাসিক বেতন: ২২,৫০০/- থেকে ৫৮,৫০০/- টাকা পর্যন্ত 
  • রিক্রুটমেন্ট বোর্ড: পশ্চিমবঙ্গ পুলিশ রিক্রুটমেন্ট বোর্ড
  • অফিশিয়াল ওয়েবসাইট: wbpolice.gov.in

কলকাতা পুলিশ কনস্টেবল

  • বয়সসীমা: ১৮ থেকে ২৭ বছর
  • মাসিক বেতন: ২২,৭০০/- থেকে ৫৮,৫০০/- টাকা পর্যন্ত
  • রিক্রুটমেন্ট বোর্ড: পশ্চিমবঙ্গ পুলিশ রিক্রুটমেন্ট বোর্ড
  • অফিশিয়াল ওয়েবসাইট: wbpolice.gov.in

এসএসসি জিডি কনস্টেবল

  • বয়সসীমা: ১৮ থেকে ২৩ বছর
  • মাসিক বেতন: ২১,৭০০/- থেকে ৬৯,১০০/- টাকা পর্যন্ত
  • রিক্রুটমেন্ট বোর্ড: স্টাফ সিলেকশন কমিশন
  • অফিশিয়াল ওয়েবসাইট: ssc.nic.in

রেলওয়ে গ্রুপ ডি

  • বয়সসীমা: ১৮ থেকে ৩৩ বছর
  • মাসিক বেতন: ২২,০০০/- থেকে ২৫,০০০/- টাকা পর্যন্ত
  • রিক্রুটমেন্ট বোর্ড: রেলওয়ে রিক্রুটমেন্ট বোর্ড
  • অফিশিয়াল ওয়েবসাইট: indianrailways.gov.in
🔔 চাকরির প্রস্তুতিকে সহজ করতে সমস্ত ধরনের পরীক্ষার প্রয়োজনীয় নোটস আমাদের ‘কলম’ ওয়েবসাইটে একদম বিনামূল্যে দেওয়া হয়ে থাকে।

ফুড সাব ইন্সপেক্টর

  • বয়সসীমা: ১৮ থেকে ৪০ বছর
  • মাসিক বেতন: ২২,৭০০/- থেকে ৫৮,৫০০/- টাকা পর্যন্ত
  • রিক্রুটমেন্ট বোর্ড: পশ্চিমবঙ্গ পাবলিক সার্ভিস কমিশন
  • অফিশিয়াল ওয়েবসাইট: psc.wb.gov.in

ক্লার্কশিপ

  • বয়সসীমা: ১৮ থেকে ৪০ বছর
  • মাসিক বেতন: ২২,৭০০/- থেকে ৫৮,৫০০/- টাকা পর্যন্ত
  • রিক্রুটমেন্ট বোর্ড: পশ্চিমবঙ্গ পাবলিক সার্ভিস কমিশন
  • অফিশিয়াল ওয়েবসাইট: psc.wb.gov.in

কৃষি প্রযুক্তি সহায়ক

  • বয়সসীমা: ১৮ থেকে ৪০ বছর
  • মাসিক বেতন: ৫,৪০০/- থেকে ২৫,২০০/- টাকা পর্যন্ত
  • রিক্রুটমেন্ট বোর্ড: পশ্চিমবঙ্গ পাবলিক সার্ভিস কমিশন
  • অফিশিয়াল ওয়েবসাইট: psc.wb.gov.in

গ্রুপ ডি

  • বয়সসীমা: ১৮ থেকে ৪০ বছর
  • মাসিক বেতন: ২০,০৫০/- টাকা
  • রিক্রুটমেন্ট বোর্ড: পশ্চিমবঙ্গ স্কুল সার্ভিস কমিশন
  • অফিশিয়াল ওয়েবসাইট: westbengalssc.com

এসএসসি এমটিএস

  • বয়সসীমা: ১৮ থেকে ২৫ বছর
  • মাসিক বেতন: ১৬,৯১৫/- থেকে ২০,২৪৫/- টাকা পর্যন্ত
  • রিক্রুটমেন্ট বোর্ড: স্টাফ সিলেকশন কমিশন
  • অফিশিয়াল ওয়েবসাইট: ssc.nic.in

Sunday, 15 March 2026

March 15, 2026

পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের তারিখ 2026 – কবে ভোট ও কবে ফল প্রকাশ

পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের তারিখ 2026 – কবে ভোট ও কবে ফল প্রকাশ | WB Assembly Election 2026 Date Announce

পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের তারিখ 2026 – কবে ভোট ও কবে ফল প্রকাশ | WB Assembly Election 2026 Date Announce
পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের তারিখ 2026 – কবে ভোট ও কবে ফল প্রকাশ 
কলম 
সুপ্রিয় বন্ধুরা,
আজকের এই পোস্টে পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের তারিখ ২০২৬ – কবে ভোট এবং কবে ফল প্রকাশ এই বিষয়টি সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে। এখানে পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের গুরুত্বপূর্ণ তারিখ, ভোটগ্রহণের সময়সূচি এবং ফল প্রকাশের দিন সম্পর্কে সংক্ষিপ্তভাবে তথ্য দেওয়া হয়েছে। 

আশা করা যায়, এই পোস্টটি আপনাদের পশ্চিমবঙ্গের আসন্ন নির্বাচনের দিনক্ষণ সম্পর্কে পরিষ্কার ধারণা পেতে সাহায্য করবে।

পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচন ২০২৬

২০২৬ সালের পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের দিনক্ষণ ঘোষণা করলো ভারতের নির্বাচন কমিশন। এই নির্বাচনের মাধ্যমে পশ্চিমবঙ্গের ১৮তম বিধানসভা গঠন করা হবে।

২০২৬ সালের এই নির্বাচনে পশ্চিমবঙ্গের মোট ২৯৪টি বিধানসভা আসনে ভোটগ্রহণ হবে। ভোট দুই দফায় অনুষ্ঠিত হবে এবং কিছুদিন পরে ভোট গণনা করে ফলাফল প্রকাশ করা হবে।

পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচন ২০২৬ – গুরুত্বপূর্ণ তারিখ 

বিষয় তারিখ
প্রথম দফা ভোট ২৩ এপ্রিল ২০২৬
দ্বিতীয় দফা ভোট ২৯ এপ্রিল ২০২৬
ভোট গণনা ও ফল প্রকাশ ৪ মে ২০২৬

এই দুই দফায় রাজ্যের সমস্ত বিধানসভা আসনে ভোট গ্রহণ সম্পন্ন হবে। 

পশ্চিমবঙ্গের মোট বিধানসভা আসন

পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভার মোট আসন সংখ্যা ২৯৪টি। সরকার গঠনের জন্য কোনো রাজনৈতিক দলকে বা জোটকে কমপক্ষে ১৪৮টি আসনে জয়লাভ করতে হবে।

পশ্চিমবঙ্গের বর্তমান বিধানসভার মেয়াদ

পশ্চিমবঙ্গের বর্তমান (১৭তম) বিধানসভার মেয়াদ ৭ মে ২০২৬ পর্যন্ত। তাই তার আগেই নতুন বিধানসভা গঠনের জন্য নির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে। ২০২১ সালের ৮ মে থেকে এই বিধানসভার মেয়াদ শুরু হয়েছিল। 

নির্বাচনের গুরুত্ব

পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচন দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ রাজ্য নির্বাচন হিসেবে বিবেচিত হয়। এই নির্বাচনের মাধ্যমে আগামী পাঁচ বছরের জন্য রাজ্যের সরকার নির্ধারিত হবে। 

২০২৬ সালের পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচন রাজ্যের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। দুই দফায় ভোট গ্রহণ শেষে ফলাফল প্রকাশের মাধ্যমে জানা যাবে আগামী পাঁচ বছরের জন্য পশ্চিমবঙ্গের ক্ষমতায় কোন দল আসছে।

প্রায়শই জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন

১| পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা আসন সংখ্যা কত? 
উত্তর: পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভার মোট আসন সংখ্যা ২৯৪টি। 

২| বিধানসভা ভোট কত বছর অন্তর হয়? 
উত্তর: ভারতে বিধানসভা নির্বাচন সাধারণত প্রতি ৫ বছর অন্তর অনুষ্ঠিত হয়।

৩| ২০২৬ সালের নির্বাচনের মাধ্যমে পশ্চিমবঙ্গে কততম বিধানসভা গঠিত হবে?
উত্তর: এই নির্বাচনের মাধ্যমে পশ্চিমবঙ্গের ১৮তম বিধানসভা গঠন করা হবে।

৪| পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা ভোট কবে?
উত্তর: ২০২৬ সালের পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচন ২৩ এপ্রিল ও ২৯ এপ্রিল ২০২৬ তারিখে দুই দফায় অনুষ্ঠিত হবে।

৫| পশ্চিমবঙ্গে বিধানসভা নির্বাচন ২০২৬ কবে হবে?
উত্তর: ২৩ এপ্রিল ও ২৯ এপ্রিল ২০২৬ তারিখে দুই দফায় অনুষ্ঠিত হবে।

৬| ২০২৬ পশ্চিমবঙ্গ নির্বাচনের ফল কবে প্রকাশ হবে?
উত্তর: ভোট গণনা শেষে ফলাফল ৪ মে ২০২৬ প্রকাশ করা হবে।

৭| পশ্চিমবঙ্গে সরকার গঠনের জন্য কতগুলি আসন প্রয়োজন?
উত্তর: সরকার গঠনের জন্য কমপক্ষে ১৪৮টি আসন প্রয়োজন।

Saturday, 28 February 2026

February 28, 2026

SIR 2026 ফাইনাল ভোটার লিস্ট পশ্চিমবঙ্গ | ভোটার লিস্ট PDF ডাউনলোড পদ্ধতি

SIR 2026 Final Voter List West Bengal PDF Download | 2026 সালের ভোটার লিস্ট ডাউনলোড

SIR 2026 Final Voter List West Bengal PDF Download | 2026 সালের ভোটার লিস্ট ডাউনলোড
SIR 2026 ফাইনাল ভোটার লিস্ট পশ্চিমবঙ্গ - কিভাবে  ভোটার লিস্ট PDF ডাউনলোড পদ্ধতি
কলম 
সুপ্রিয় বন্ধুরা,
আজ ২৮শে ফেব্রুয়ারি শনিবার প্রকাশিত হতে চলেছে পশ্চিমবঙ্গের চূড়ান্ত ভোটার তালিকা (SIR 2026 ফাইনাল ভোটার লিস্ট পশ্চিমবঙ্গ)। যে সমস্ত ভোটার SIR আপডেশন প্রক্রিয়ায় আবেদন করেছিলেন, তারা অফলাইনের পাশাপাশি অনলাইনেও নিজেদের নাম চেক করতে পারবেন এবং West Bengal Final Voter List 2026 PDF ডাউনলোড করতে পারবেন।

এই প্রতিবেদনে আমরা জানাবো কীভাবে খুব সহজে ঘরে বসেই পশ্চিমবঙ্গের ফাইনাল ভোটার লিস্ট ডাউনলোড করবেন। দেখে নিতে পারবেন কমিশনের তালিকায় ঠিক কি অবস্থায় রয়েছে আপনার নাম- Approved/অনুমোদিত, Deleted/ বাদ নাকি Adjudication/বিচারাধীন। 

## অফলাইনে কিভাবে জানবেন- কমিশন সূত্রে খবর, সমস্ত বুথ লেবেল অফিসারকে প্রত্যেকটি তালিকার হার্ড কপি দেওয়া থাকবে। কারও নাম রইলো কিনা বা ডিলিট হলো কিনা তা সমস্ত কিছুই জানতে পারবেন নিজেদের BLO-দের কাছ থেকে। 

SIR কি


SIR এর পুরো নাম হলো Special Intensive Revision। এটি একটি বিশেষ প্রক্রিয়া, যার মাধ্যমে ভোটার তালিকাকে সম্পূর্ণভাবে যাচাই, সংশোধন ও আপডেট করা হয়। এই কাজটি পরিচালনা করে ভারতের নির্বাচন কমিশন।

SIR কেন করা হচ্ছে


  • ভোটার তালিকা থেকে মৃত বা স্থানান্তরিত ভোটারদের বাদ দেওয়া
  • নতুন যোগ্য ভোটারদের নাম অন্তর্ভুক্ত করা
  • এক ব্যক্তির একাধিক ভোটার ID থাকলে তা ঠিক করা 
  • নির্বাচনের আগে একটি স্বচ্ছ ও নির্ভুল ভোটার তালিকা তৈরি করা

SIR 2026 ফাইনাল ভোটার লিস্ট কিভাবে ডাউনলোড করবেন | How to Check Voter List 2026 West Bengal


ভোটার তালিকায় নিজের নাম দেখতে তথা পশ্চিমবঙ্গের ফাইনাল ভোটার লিস্ট 2026 PDF ডাউনলোড করতে নিম্নলিখিত স্টেপগুলি একে একে অনুসরণ করুন- 
  • ধাপ ১: অফিশিয়াল ওয়েবসাইট https://voters.eci.gov.in/ -তে ভিজিট করুন 
  • ধাপ ২: Download Electoral Roll অপশনে ক্লিক করুন
  • ধাপ ৩: রাজ্য হিসেবে West Bengal সিলেক্ট করুন 
  • ধাপ ৪: Year Of Revision-এ 2026, Roll Type-এ SIR Final Roll - 2026 বেছে নিন
  • ধাপ ৫: এরপর প্রয়োজন অনুসারে জেলা, বিধানসভা নির্বাচনক্ষেত্র এবং ভাষা বেছে নিন
  • ধাপ ৬: তারপর ক্যাপচা কোডটি সঠিকভাবে লিখুন
  • ধাপ ৭: এবার তালিকা থেকে আপনার ভোটকেন্দ্রের নামটি বেছে নিন
  • ধাপ ৮: Download Selected PDFs বাটনটিতে ক্লিক করুন
  • ধাপ ৯: মোবাইল/ কম্পিউটারে ভোটার লিস্ট ডাউনলোড হয়ে যাবে

ভোটার লিস্টে নাম না থাকলে কি করতে হবে


যদি SIR 2026 ফাইনাল ভোটার লিস্টে আপনার নাম না থাকে, তাহলে প্রথমে অনলাইনে পুনরায় যাচাই করুন। এরপর নিজের এলাকার BLO অথবা সংশ্লিষ্ট ERO অফিসে যোগাযোগ করুন। প্রয়োজনে পরবর্তী Claim & Objection সময়সীমায় নতুন করে আবেদন করুন।

Sunday, 10 August 2025

August 10, 2025

দেশাত্মবোধক উক্তি | স্বাধীনতা সম্পর্কে বিখ্যাত উক্তি

দেশাত্মবোধক উক্তি | স্বাধীনতা নিয়ে বিখ্যাত উক্তি | স্বাধীনতা নিয়ে বিখ্যাত বাণী | দেশ স্বাধীন নিয়ে উক্তি

দেশাত্মবোধক উক্তি | স্বাধীনতা নিয়ে বিখ্যাত উক্তি | স্বাধীনতা নিয়ে বিখ্যাত বাণী | দেশ স্বাধীন নিয়ে উক্তি
দেশাত্মবোধক উক্তি | স্বাধীনতা সম্পর্কে বিখ্যাত উক্তি
কলম 
সুপ্রিয় বন্ধুরা,
আজকের এই প্রতিবেদনে কিছু দেশাত্মবোধক উক্তি তথা স্বাধীনতা বিষয়ক বিখ্যাত উক্তি সমূহ শেয়ার করলাম। যেটিতে দেশ বা স্বাধীনতা নিয়ে বিখ্যাত ব্যক্তিদের কিছু বিখ্যাত উক্তি বা বাণী দেওয়া আছে।

দেশাত্মবোধক উক্তি

তোমরা আমাকে রক্ত দাও,
আমি তোমাদের স্বাধীনতা দেব।
-নেতাজী সুভাষচন্দ্র বসু

“স্বরাজ আমার জন্মগত অধিকার
এবং
আমি তা অর্জন করবই”
-বাল গঙ্গাধর তিলক

“স্বাধীনতা মানুষের মনের একটি খোলা জানালা,
যেদিক দিয়ে
মানুষের আত্বা ও মানব মর্যাদার আলো প্রবেশ করে”
-হার্বার্ট হুভার

“স্বাধীনতা মানুষের প্রথম
এবং
মহান একটি অধিকার”
-মিল্টন

“স্বাধীনতা কেউ দেয় না,
অর্জন করে নিতে হয়”
-নেতাজী সুভাষচন্দ্র বসু

“নিজের ইচ্ছামত বাঁচা ছাড়া
স্বাধীনতার অর্থ আর কিইবা হতে পারে”
-অ্যাপিকটিটাস

“করেঙ্গে ইয়া মরেঙ্গে”
-মহাত্মা গান্ধি

“স্বাধীনতা অর্জন করা সহজ কাজ নয়।
কিন্তু একে ছাড়া বেঁচে থাকাও কঠিন।
তাই যে কোনও মূল্যে স্বাধীনতা অর্জন করাই আমাদের প্রথম কর্তব্য হওয়া উচিত।”
-মহাত্মা গান্ধি

“আমি স্বাধীন ছিলাম,
স্বাধীন আছি
এবং থাকবো”
-চন্দ্রশেখর আজাদ

“ইনকিলাব জিন্দাবাদ”
-ভগৎ সিং

“সারফারোশি কি তামান্না আব হামারে দিল মে হ্যায়”
-রামপ্রসাদ বিসমিল

“দেশপ্রেমিকের রক্ত হচ্ছে
স্বাধীনতা নামক বৃক্ষের বীজ”
-থমাস ক্যাম্পবেল

“স্বাধীনতা পাওয়া মূল্যবান নয়,
যদি না ভুল করার স্বাধীনতা তার অন্তর্ভুক্ত থাকে”
-মহাত্মা গান্ধি

বন্দেমাতরম
-বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়

“মারো ফিরিঙ্গি কো”
-মঙ্গল পাণ্ডে

“সত্যমেব জয়তে”
-মদন মোহন মালব্য

“সব লাল হো জায়গা”
-রঞ্জিত সিং

“নিজের দেশকে ভালোবাসা যদি অপরাধ হয়,
তাহলে আমি অপরাধী”
-অরবিন্দ ঘোষ

“স্বাধীনতা-হীনতায় কে বাঁচিতে চায় হে,
কে বাঁচিতে চায় ?
দাসত্ব শৃঙ্খল বল কে পরিবে পায় হে,
কে পরিবে পায়।”
-রঙ্গলাল বন্দোপাধ্যায়

“যেখানে জাতির চিন্তা ও পদক্ষেপ স্বাধীনতার দিকে- হে বিধাতা,
আমার দেশকে জেগে থাকতে দিন।”
-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

Saturday, 9 August 2025

August 09, 2025

রাখি বন্ধন উৎসব প্রথম কবে পালিত হয় | রাখি বন্ধন উৎসব কে চালু করেন | রাখি বন্ধন উৎসব কেন পালন করা হয়

রাখি বন্ধন উৎসব প্রথম কবে পালিত হয় ? রাখি বন্ধন উৎসব কে চালু করেন ? রাখি বন্ধন উৎসব কেন পালন করা হয় ?

রাখি বন্ধন উৎসব প্রথম কবে পালিত হয় | রাখি বন্ধন উৎসব কে চালু করেন | রাখি বন্ধন উৎসব কেন পালন করা হয়
রাখি বন্ধন উৎসব প্রথম কবে পালিত হয় | রাখি বন্ধন উৎসব কে চালু করেন | রাখি বন্ধন উৎসব কেন পালন করা হয়
কলম 
সুপ্রিয় বন্ধুরা,
আজকের পোস্টে রাখি বন্ধন বা রাখি পূর্ণিমা উৎসব সম্পর্কে বিস্তারিতভাবে আলোচনা করলাম। যেটিতে রাখি বন্ধন উৎসব প্রথম কবে পালিত হয়, রাখি বন্ধন উৎসব কে চালু করেন, রাখি বন্ধন উৎসব কেন পালন করা হয় ইত্যাদি সমস্ত কিছু দেওয়া আছে।

রাখি বন্ধন উৎসব

বাংলার মাটি, বাংলার জল,
বাংলার বায়ু, বাংলার ফল
পুণ্য হউক পুণ্য হউক
পুণ্য হউক হে ভগবান।

বাংলার ঘর, বাংলার হাট,
বাংলার বন, বাংলার মাঠ
পূর্ণ হউক পূর্ণ হউক
পূর্ণ হউক হে ভগবান।

বাঙালির পণ, বাঙালির আশা,
বাঙালির কাজ, বাঙালির ভাষা
সত্য হউক সত্য হউক
সত্য হউক, হে ভগবান।

বাঙালির প্রাণ, বাঙালির মন,
বাঙালির ঘরে যত ভাই-বোন
এক হউক এক হউক
এক হউক হে ভগবান।

-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

রাখি বন্ধন উৎসব

রাখি বন্ধন উৎসব হল একটি মহাপবিত্র ও সুন্দর সংহতির অনুষ্ঠান। এই অনুষ্ঠানের দ্বারা ভাই-বোনের মধ্যে ভালোবাসা ও স্নেহের বন্ধনকে দৃঢ় শক্তিশালী ও পুনরুজ্জীবিত করে তোলে। এই চিরন্তন পবিত্র উৎসব পরিবারের সকল সদস্যদের পাশাপাশি সমাজ তথা সমগ্র মানবজাতিকে সুসম্পর্কের বন্ধনে আবদ্ধ করে ও ঐক্যকে নিশ্চিত করে। রাখিবন্ধন অনুষ্ঠানে ভাইদের পাশাপাশি বোনরা নতুন পোশাক পরিধান করে এবং মিষ্টি মুখ করানোর মধ্য দিয়ে ভাইদের হাতে পবিত্র সুতো বা রাখি বেঁধে দেয়। পরিবর্তে ভাইরা বোনদেরকে উপহার দিয়ে থাকে।

রাখি বন্ধন উৎসব কেন পালন করা হয়

রাখি বন্ধন বা রাখি পূর্ণিমা ভারতের একটি সুপ্রচলিত পবিত্র উৎসব। প্রধানত এই দিনে ভাই-বোনের সম্পর্ক আজীবন রক্ষা করার উদ্দেশ্যে দাদা বা ভাইয়ের ডান হাতের কব্জিতে দিদি বা বোনেরা পবিত্র সুতো বেঁধে দেয়। এর মাধ্যমে দিদি বা বোনেরা, দাদা বা ভাইয়ের মঙ্গল কামনা করে থাকে। বিনি হিন্দু পঞ্জিকা মতে শ্রাবণ মাসের শুক্লা পক্ষের পূর্ণিমা তিথিতে এই উৎসব পালন করা হয়ে থাকে। রাখিবন্ধন উৎসবটি ভারতবর্ষের সকল জাতি ও বর্ণের মানুষরা পালন করে থাকে; তবে হিন্দু, মুসলমান, শিখ, জৈন ও বৌদ্ধ ধর্মের মানুষদের মধ্যেই বেশী প্রচলিত। তবে বর্তমানে এদেশের পাশাপাশি বিদেশেও এই উৎসব খ্যাতি অর্জন করেছে।

রাখি বন্ধন উৎসব প্রথম কবে পালিত হয়

ঐতিহাসিক কাহিনী থেকে জানা যায় রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের নেতৃত্বে ১৯০৫ সালে প্রথম রাখি বন্ধন উৎসব পালিত হয়। আর এই ১৯০৫ সাল থেকে রাখি বন্ধন উৎসব পালন করা হয়।

রাখি বন্ধন উৎসব কে চালু করেন

রাখি বন্ধন উৎসব চালু বা প্রচলন করেছিলেন রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর। ১৯০৫ সালে বঙ্গভঙ্গ প্রতিরোধ করার জন্য রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রাখি বন্ধন উৎসব পালন করেছিলেন। তিনি কলকাতা, ঢাকা ও সিলেট থেকে হাজার হাজার হিন্দু ও মুসলিম ভাই-বোনকে আহ্বান করেছিলেন একতার প্রতীক হিসাবে রাখি বন্ধন উৎসব পালন করার জন্য।

রাখি বন্ধন উৎসবের পৌরাণিক কাহিনী

রাখি বন্ধন উৎসবের উৎপত্তি খুঁজতে গিয়ে মহাভারতের কাহিনী সম্পর্কে জানতে পারি। মহাভারতে বর্ণিত, এক যুদ্ধে কৃষ্ণের কবজিতে আঘাত লেগে রক্তপাত শুরু হলে পঞ্চপাণ্ডবের স্ত্রী দ্রৌপদী তাঁর শাড়ির আঁচল খানিকটা ছিঁড়ে কৃষ্ণের হাতে বেঁধে দেন। ফলতু দ্রৌপদী তাঁর অনাত্মীয়া হলেও, তিনি দ্রৌপদীকে নিজের বোনের মর্যাদা দেন। পরবর্তীতে কৌরব পক্ষ কতৃক দ্রৌপদীর বস্ত্রহরণকালে শ্রীকৃষ্ণ দৌপদী সম্মান রক্ষা করে ভাই-বোনের সম্পর্ককে দৃষ্টান্ত স্বরূপ গড়ে তোলে, এইভাবেই রাখি বন্ধনের প্রচলন হয়।

ঐতিহাসিক কাহিনী বা রাখিবন্ধন ও রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

ঊনবিংশ শতকের প্রথমার্ধে ভারতবর্ষে জাতীয়তাবাদী আন্দোলন চরম পর্যায়ে পৌঁছালে ব্রিটিশ সরকার সিদ্ধান্ত নেন বাংলাকে দুটি প্রদেশে বিভক্ত করবে। ফলতু তৎকালীন সময় দেশে ধর্মীয় অসহিষ্ণুতা চরম আকার ধারন করে। ব্রিটিশ সরকারের এই বিরূপ সিদ্ধান্ত বঙ্গভঙ্গ প্রতিরোধ করার জন্য রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর তৎকালীন হিন্দু ও মুসলিম ভাই-বোনকে একত্রিত হওয়ার জন্য আহ্বান করেছিলেন।

১৯০৫ সালের জুন মাসে লর্ড কার্জনের বঙ্গভঙ্গের সিদ্ধান্ত নেওয়ার মাধ্যমে ওই বছরেরই আগস্ট মাসে বঙ্গভঙ্গ আইন পাশ হয়। বঙ্গভঙ্গ আইনটি ১৯০৫ সালের ১৬ই অক্টোবর কার্যকর হলে, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর হিন্দু-মুসলিমদের মধ্যে ভ্রাতৃত্ব বোধ জাগিয়ে তোলা এবং ব্রিটিশদের বঙ্গভঙ্গের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলার জন্য সবাইকে রাখী বন্ধন উৎসব পালন করার জন্য আহ্বান করেন।

Wednesday, 23 July 2025

July 23, 2025

ভারতের স্বাধীনতা দিবস রচনা | স্বাধীনতা দিবস রচনা ২০২৫

ভারতের স্বাধীনতা দিবস রচনা | 15 আগস্ট স্বাধীনতা দিবস রচনা PDF | India Independence Day Essay in Bengali PDF

ভারতের স্বাধীনতা দিবস রচনা | 15 আগস্ট স্বাধীনতা দিবস রচনা PDF | India Independence Day Essay in Bengali PDF
ভারতের স্বাধীনতা দিবস রচনা | স্বাধীনতা দিবস রচনা ২০২৫
কলম 
সুপ্রিয় বন্ধুরা,
আপনারা যারা ভারতের স্বাধীনতা দিবস সম্পর্কে রচনা লেখার জন্য একটা ভালো ধরনের আর্টিকেলের অনুসন্ধান করছেন, তাদের জন্য আমাদের আজকের এই পোস্ট। এই পোস্টটির মধ্যে খুব সুন্দর করে ভারতের স্বাধীনতা দিবস সম্পর্কে লেখা আছে। সুতরাং স্বাধীনতা দিবস রচনাটি দেখে নিন এবং প্রয়োজনবোধে নীচ থেকে পিডিএফটি সংগ্রহ করে নিন।

ভারতের স্বাধীনতা দিবস রচনা

"স্বাধীনতার-হীনতায় কে বাঁচিতে চায় হে,
কে বাঁচিতে চায়?
দাসত্ব শৃঙ্খল বল কে পরিবে পায় হে,
কে পরিবে পায়।"

-রঙ্গলাল বন্দ্যোপাধ্যায়

ভূমিকা

দেশজননী ভারতবর্ষের শৃঙ্খলমুক্তির জীবনের ইতিহাসে স্মরণীয় দিন ১৯৪৭ সালের ১৫ই আগস্ট। কয়েক শতক ধরে বহু বীর সন্তানের বুকের রক্ত ঝরানো ও বহু বীর শহীদের আত্মবলীদানের পর এসেছে মাতৃজননী ভারত মাতার জাতীয় মুক্তি তথা স্বাধীনতা। এই স্বাধীনতার অরুণোদয় সূচিত হয়েছে সুদীর্ঘ আন্দোলন ও সংগ্রামের মধ্য দিয়ে যা প্রায় দুশো বছর ধরে চলা ব্রিটিশ রাজশক্তিকে পদানত করে।

স্বাধীনতা আন্দোলন-স্বাধীনতা প্রাপ্তি 

ভারত বহু শতাব্দী ধরে মাতৃভূমির পরাধীনতার গ্লানি-স্বাধীনতার আকাঙ্খাকে কখনই পরিত্যাগ করেনি, তেমনি মনের মন্দিরে লালন করে আসা স্বাধীনতার আর্তিকে ফুরিয়ে যেতে দেয়নি। বরং ভারতমাতার দুঃসাহসী বীরসংগ্রামীরা আত্মোৎস্বর্গ দ্বারা মাতৃভূমি, সংস্কৃতি ও স্বাধীনতা সংগ্রামে সহিংস কিংবা অহিংস আন্দোলনের মধ্য দিয়ে অশেষ দুঃখকষ্ট বরণ করেছেন, নিপীড়ন-নির্যাতন সহ্য করেছেন এবং এমনকি মৃত‍্যুবরণও করেছেন। এহেন স্বাধীনতা ব্রিটিশ রাজশক্তির কৃপা বা অনুগ্রহের দান নয়, বরং আদায়কৃত বা অর্জিত।

স্বাধীনতাকে ঘিরে জাতির আশা-আকাঙ্খা

ভারত তো বহুরত্না বসুন্ধরা! আজ ভারতের প্রতিটি প্রান্তে, প্রতিটি সময় খণ্ডে অসংখ্য মানুষ, যাঁদের নাম হয়তো বা ইতিহাসের পাতায় খুঁজে পাওয়া যাবে না, সেই তাঁরাই এই দেশ গড়েছেন, একে এগিয়ে নিয়ে গেছেন। তবে অখণ্ড ভারতের স্বাধীনতাপ্রাপ্তির স্বপ্ন স্বার্থক হয়নি। ভারতজননী পরাধীনতার নাগপাশ থেকে মুক্তি পেয়েছে দু-বাহু কর্তিত আকারে। একথা অনস্বীকার্য, দেশবিভাগের ক্ষত পঁচাত্তর বছরেও রক্তক্ষরা, কবে নিরাময় হবে তা আগামী কালই জানে। ভারত স্বাধীন হয়ে আত্মনির্ভরশীল হয়ে ওঠার স্বপ্ন ও আশা-আকাঙ্খা ছিল জনগণের। তবে এ কথা সত্য যে আধুনিক বিশ্বে প্রগতির ভিত আধুনিক পরিকাঠামোর উপর নির্ভরশীল যা দেশের গঠন মূলক কাজের মাধ্যমেই দেশবাসীর কাছে স্বাধীনতার স্বাদ পৌঁছে দেবে। একবিংশ শতাব্দীতে ভারতের স্বপ্নগুলি এবং আকাঙ্ক্ষাগুলিকে বাস্তবায়িত করার ক্ষেত্রে কোনও বাধা এখন আমাদের থামাতে পারবে না। আমাদের শক্তিই আমাদের প্রাণচাঞ্চল্য, আমাদের শক্তিই আমাদের ঐক্যবদ্ধতা, আমাদের প্রাণশক্তি ‘রাষ্ট্র সর্বাগ্রে, সর্বদাই সর্বাগ্রে’-র ভাবনা। এই সময় হল মিলিতভাবে স্বপ্ন দেখার। এই সময় হল সবাই মিলে সঙ্কল্প নেওয়ার। এই সময় হল সবাই মিলে চেষ্টা করার আর এই সময় হল আমাদের বিজয়ের পথে এগিয়ে চলার ।

পঁচাত্তর বছরের উল্লেখযোগ্য ঘটনাবলী

স্বাধীনতার পরবর্তী পঁচাত্তর বছরে রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও সামাজিক ক্ষেত্রে অনেক ঘটনাই ঘটেছে। স্বাধীনতা প্রাপ্তির মুহূর্তে জওহরলাল নেহেরুর প্রধানমন্ত্রী হিসাবে শপথ গ্রহণ থেকে শুরু করে ১৯৫০ এ নতুন সংবিধান গৃহীত, ১৯৫১ তে প্রথম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা গ্রহণ, ১৯৫২ তে প্রথম সাধারণ নির্বাচন, প্রতিবেশী রাষ্ট্র চীন ও পাকিস্তানের সঙ্গে ১৯৬২ ও ১৯৬৫ তে যুদ্ধ, ১৯৬৯ তে ব্যাংক জাতীয় করণ, ১৯৭১ তে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ, ১৯৭৫ তে জাতীয় জরুরী অবস্থা ঘোষণা, ১৯৮৪ তে খালিস্তানী দমনে পাঞ্জাবে 'অপারেশন ব্লু স্টার' সংগঠিত করা, ১৯৯২ তে বাবরি মসজিদ ধ্বংস, ১৯৯৮ তে কার্গিল যুদ্ধ, ২০১৬ তে নোটবন্দি, ২০২০ তে কাশ্মীরে ৩৭০এর বিলোপসাধন প্রভৃতি উল্লেখযোগ্য ঘটনা। এছাড়া বিজ্ঞান প্রযুক্তি ও সংস্কৃতি ক্ষেতে উল্লেখযোগ্য ঘটনাবলী হল ১৯৬৮ তে চিকিৎসাশাস্ত্র ও শরীরবিদ্যায় হরগোবিন্দ খুরানার নোবেল প্রাপ্তি থেকে শুরু করে বিশ্বশান্তিতে ২০১৪ তে কৈলাশ সত‍্যর্থী নোবেল প্রাপ্তি, ১৯৯২তে সত্যজিৎ রায়ের অস্কার বিজয়, ১৯৮৩ ,২০০৭ ও ২০১১ তে ক্রিকেটে বিশ্ববিজয় সম্মান, ১৯৭৫ তে উপগ্রহ আর্যভট্টের সঠিক নিক্ষেপণ, ২০১৩ তে প্রথম মঙ্গলযান প্রেরণ প্রভৃতি ঐতিহাসিক ঘটনার সম্মুখীন হয়েছে।

ধর্মীয়, বিচ্ছিন্নতাবাদী আন্দোলন ও জাতীয় সংহতি

ভারত বহু জাতি, ধর্ম ও বর্ণের মিলনতীর্থ। বৈচিত্র্যের মধ্যে ঐক্য এই সভ্যতার মূলমন্ত্র। কিন্তু উগ্র জাতীয়তাবাদ, ধর্মান্ধতা, উগ্র ভাষাপ্রীতি শুধু বিচ্ছিন্নতাবোধকে জাগিয়ে তোলেনি বরং দেশ ও জাতির ঐক্যের পরিপন্থী হয়ে উঠেছে, যা দেশকে করেছে কলঙ্কিত।

উন্নয়ন, ব্যর্থতা ও স্বপ্নভঙ্গ

বিগত পঁচাত্তর বছরে পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনার মাধ্যমে কৃষি, শিল্প ও আনুষঙ্গিক বিষয়গুলির অভূতপূর্ব অগ্রগতি ও উন্নয়ন ঘটেছে, খাদ্যে দেশ কেবল স্বনির্ভরই নয়, উদবৃত্ত বলেও চিহ্নিত হয়েছে। কৃষি, শিল্প, যোগাযোগ, পরিবহন, খনিজ সম্পদ আহরণে অগ্রগতি ও উন্নতি অবশ্যই লক্ষনীয়। যা জাতীয় আয়ের সামগ্রিক বৃদ্ধির প্রশংসার দাবিদার। তবে কৃষিজীবী ও শ্রমজীবী মানুষের একাংশ আজও দারিদ্রসীমার নিচে অনাহারে, অর্ধাহারে কিংবা চিকিৎসার অভাবে কিছু সংখ্যক মানুষের দিন কাটে। কোটি কোটি শিক্ষিত মানুষের বেকারত্বের যন্ত্রণা, হতাশা ও ব্যর্থতার গ্লানি দিনে দিনে করেছে বিপন্ন - যা অস্বীকার করার উপায় নেই।

উপসংহার

আন্তর্জাতিক রাজনীতি ও অর্থনীতির ক্ষেত্রে ভারতবর্ষ বিগত পঁচাত্তর বছরে গৌরবোজ্জ্বল ক্রিয়াকর্মের দৃষ্টান্ত রেখেছে যা দেশের বীরত্বের নাজির গড়েছে। তা সত্ত্বেও কিছু স্বপ্নভঙ্গের হতাশা, ব্যর্থতা নৈরাশ্যের গ্লানি দেশবাসীর মনকে ছুঁয়ে গেছে।

স্বাধীনতা দিবস রচনাটির পিডিএফ লিংক নীচে দেওয়া আছে


Tuesday, 22 July 2025

July 22, 2025

ভারতের জাতীয় পতাকা | ইতিহাস, বর্ণনা, ব্যবহারের নিয়ম

ভারতের জাতীয় পতাকা সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা | National Flag of India Details in Bengali

ভারতের জাতীয় পতাকা সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা | National Flag of India Details in Bengali
ভারতের জাতীয় পতাকা
কলম 
সুপ্রিয় বন্ধুরা,
আজকের পোস্টে ভারতের জাতীয় পতাকা সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করলাম। যার মাধ্যমে তোমরা ভারতের জাতীয় পতাকার ইতিহাস, বৈশিষ্ট্য বা বর্ণনা, জাতীয় পতাকা ব্যবহারের নিয়ম প্রভৃতি বিষয়গুলি সম্পর্কে সুস্পষ্ট ধারণা গঠন করতে পারবে।

নীচে পয়েন্ট করে করে ভারতের জাতীয় পতাকা সম্পর্কে দেওয়া আছে। তাই দেরী না করে পোস্টটি ভালো করে দেখে নাও।

National Flag of India Details in Bengali ::

■ জাতীয় পতাকাঃ
কোন দেশ বা জাতির ঐতিহ্য, মর্যাদা ও গৌরবমণ্ডিত প্রতীককে জাতীয় পতাকা বলে।

■ ভারতের জাতীয় পতাকার ইতিহাসঃ
১৯০৬ সালের ৭ই আগস্ট কলকাতার পার্শি বাগানে ভারতের প্রথম জাতীয় পতাকা উত্তোলিত হয়েছিল। পতাকাটি সবুজ, হলুদ ও লাল রঙের তিনটি অনুভূমিক ক্ষেত্র দ্বারা গঠিত ছিল। উপরের সবুজ অংশে আটটি সাদা পদ্ম আঁকা ছিল, হলুদ অংশে দেবনাগরী ভাষায় নীল রঙ দিয়ে বন্দেমাতরম্ লেখা ছিল এবং লাল অংশের একদিকে সাদা রঙের সূর্য ও অন্যদিকে অর্ধচন্দ্র আঁকা ছিল। নিম্নে পতাকাটির ছবি দেওয়া হল -
ভারতের জাতীয় পতাকা (১৯০৬)
ভারতের জাতীয় পতাকা (১৯০৬)

১৯০৭ সালে প্যারিসে ভিকাজি রুস্তম কামা ভারতের স্বাধীনতা যুদ্ধের পতাকা উত্তলন করেন। আগের পতাকার থেকে এই পতাকায় কিছুটা তফাৎ দেখা যায়। এই পতাকাটি ছিল গেরুয়া, সাদা ও সবুজ রঙের। উপরের গেরুয়া অংশে আটটি সাদা ফুল আঁকা ছিল, হলুদ অংশে দেবনাগরী ভাষায় কালো রঙ দিয়ে বন্দেমাতরম্ লেখা ছিল এবং সবুজ অংশের একদিকে সাদা রঙের সূর্য ও অন্যদিকে অর্ধচন্দ্র আঁকা ছিল। নিম্নে পতাকাটির ছবি দেওয়া হল -
ভারতের জাতীয় পতাকা (১৯০৭)
ভারতের জাতীয় পতাকা (১৯০৭)

১৯১৭ সালে হোমরুল লিগের নেতা বাল গঙ্গাধর তিলক ও অ্যানি বেসান্ত স্বাধীনতা যুদ্ধের জন্য এক নতুন পতাকা উত্তলন করেন। নিম্নে পতাকাটির ছবি দেওয়া হল -
ভারতের জাতীয় পতাকা (১৯১৭)
ভারতের জাতীয় পতাকা (১৯১৭)

১৯২১ সালে বিজয়ওয়াড়ার জাতীয় কংগ্রেসের সম্মেলনে উত্তোলিত হয় ভারতের নতুন এক জাতীয় পতাকা। যেটি গান্ধিজিকে উপহার দেন অন্ধ্রপ্রদেশের এক ব্যক্তি। এই পতাকাটি ছিল সাদা, সবুজ ও লাল রঙের। নিম্নে পতাকাটির ছবি দেওয়া হল -
ভারতের জাতীয় পতাকা (১৯২১)
ভারতের জাতীয় পতাকা (১৯২১)

১৯৩১ সালে এই পতাকা আবার পরিবর্তন করা হয়। বর্তমান পতাকার মতোই তাতে গেরুয়া, সাদা ও সবুজ রঙ ছিল। আর মাঝের সাদা অংশে মধ্যে ছিল চরকা। নিম্নে পতাকাটির ছবি দেওয়া হল -
ভারতের জাতীয় পতাকা (১৯৩১)
ভারতের জাতীয় পতাকা (১৯৩১)

১৯৪৭ সালের ৩রা জুন যখন ব্রিটিশ সরকার ঘোষণা করলেন ১৫ই  আগস্টে ভারত স্বাধীন হবে, গণপরিষদ তখন একটা অস্থায়ী কমিটি তৈরি করলেন স্বাধীন ভারতের পতাকা তৈরি করার জন্যে।

১৯৪৭ সালের ২২শে জুলাই ভারতের গণপরিষদে জাতীয় পতাকার নকশা গৃহীত হয়। এই জাতীয় পতাকার নকশা তৈরি করেন পিঙ্গালি ভেঙ্কাইয়া। ১৯৪৭ সালের ১৪ই আগস্ট মধ্যরাত্রিতে এই পতাকা জাতির উদ্দেশ্যে গণপরিষদের হাতে তুলে দেওয়া হয়। নিম্নে পতাকাটির ছবি দেওয়া হল -
ভারতের জাতীয় পতাকা (১৯৪৭)
ভারতের জাতীয় পতাকা (১৯৪৭)

■ ভারতের জাতীয় পতাকার বর্ণনাঃ
ভারতের জাতীয় পতাকার তিনটি রঙ, তাই নাম ত্রিরঙা। পতাকাটি আয়তক্ষেত্রবিশিষ্ট এবং পতাকার দৈর্ঘ্য ৩ মিটার ও প্রস্থ ২ মিটার। পতাকাটি তিনটি আয়তক্ষেত্রবিশিষ্ট প্রথক তিনটি বর্ণের অংশ নিয়ে গঠিত অর্থাৎ তিনটি রঙেরই জমিন সমান। সবার ওপরে গেরুয়া, মাঝে সাদা ও নীচে গাঢ় সবুজ। পতাকাটির সাদা রঙের মাঝখানে একটি নল রঙের ২৪টি কাঁটাবিশিষ্ট চক্র বসান থাকে। এই চক্রটি সম্রাট অশোকের ধর্মচক্রের অনুকরণ, একে তাই অশোকচক্র বলে।

প্রতিটি রঙ এবং অশোকচক্র বিশেষ দার্শনিক অর্থ প্রকাশ করে।  যেমন -

● গেরুয়া - শৌর্য, সেবা ও ত্যাগের প্রতীক। 
● সাদা - শান্তি ও পবিত্রতার প্রতীক। 
● গাঢ় সবুজ - কর্মশক্তি, নির্ভীকতা জীবনধর্মের প্রতীক। 
● অশোকচক্র - দেশের উন্নতি ও প্রগতির প্রতীক।

■ জাতীয় পতাকা ব্যবহারের নিয়মঃ
● যেখানেই এই পতাকাটি উত্তোলিত করা হবে, সেখানেই যথেষ্ট মর্যাদার সঙ্গে স্বতন্ত্রভাবে স্থাপন করতে হবে।
● পতাকার গেরুয়া রঙের দিক সবসময় উপরে থাকবে।
● কোন ব্যক্তি বা বস্তুর সামনে জাতীয় পতাকা নোয়ানো চলবে না।
● যদি এক লাইনে অন্য পতাকার সঙ্গে জাতীয় পতাকা ওঠানো হয়, তবে অন্য সব পতাকার থেকে জাতীয় পতাকা সবার উপরে থাকবে। 
● সাধারণত জাতীয় পতাকা যেসব গুরুত্বপূর্ণ সরকারী ভবনে উড্ডীন রাখা হয় সেখানে জাতীয় শোকপ্রকাশ করতে কিংবা কোন ব্যক্তি বা রাষ্ট্রের প্রতি সম্মান দেখানোর সময় জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত রাখা হয়।  
● ছেঁড়া, ফাটা কিংবা বিবর্ণ জাতীয় পতাকা উত্তোলন বেআইনি।
● জাতীয় পতাকা কুঞ্চিত অবস্থায় ব্যবহার করা যাবে না।
● জাতীয় পতাকার সঙ্গে অন্য কোন পতাকা একই দণ্ডে তোলা বা ব্যবহার করা যাবে না।
● জাতীয় পতাকা থেকে বেশি উচ্চতায় অন্য কোন পতাকা একসঙ্গে ব্যবহার করা যাবে না।

*** Flag Code of India 2022 অনুযায়ী, দিন ও রাত উভয় ক্ষেত্রেই পতাকা তুলে রাখা যাবে।

■ ভারতের জাতীয় পতাকা সম্পর্কিত গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নোত্তরঃ 

প্রশ্নঃ ভারতের জাতীয় পতাকার দৈর্ঘ্য প্রস্থ কত ?
উত্তরঃ ভারতের পতাকার দৈর্ঘ্য ও প্রস্থের অনুপাত ৩:২।

প্রশ্নঃ ভারতের জাতীয় পতাকার নকশা কে করেন ?
উত্তরঃ পিঙ্গালি ভেঙ্কাইয়া।

প্রশ্নঃ ভারতের জাতীয় পতাকা কবে গৃহীত হয় ?
উত্তরঃ ১৯৪৭ সালের ২২শে জুলাই।

প্রশ্নঃ আইন অনুযায়ী ভারতের জাতীয় পতাকা কোন কাপড়ে তৈরি হয় ?
উত্তরঃ খাদি কাপড়ে।

প্রশ্নঃ ভারতীয় জাতীয় পতাকার নকশা কোন পতাকা থেকে গ্রহণ করা হয় ?
উত্তরঃ পতাকাটির নকশা প্রস্তুত করা হয়েছিল ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেসের পিঙ্গালি ভেঙ্কাইয়া কৃত ‘স্বরাজ’ পতাকার আদলে।

প্রশ্নঃ ভারতের জাতীয় পতাকার ছবি কবে প্রথম ডাকটিকিটে স্থান পেয়েছিল ?
উত্তরঃ ১৯৪৭ সালের ২২শে নভেম্বর।

■ তথ্য সংগ্রহঃ পশ্চিমবঙ্গ মধ্য শিক্ষা পর্ষদের ষষ্ঠ শ্রেণির স্বাস্থ্য ও শারীরশিক্ষা বই

Wednesday, 25 June 2025

June 25, 2025

বোধ পরীক্ষণ কি | বোধ পরীক্ষণ সমাধানের সঠিক উপায় | বোধ পরীক্ষণের উদাহরণ

Comprehension বা বোধ পরীক্ষণ কি, সমাধানের উপায় ও উদাহরণ | Reading Comprehension Tips and Tricks in Bengali

Comprehension বা বোধ পরীক্ষণ কি, সমাধানের উপায় ও উদাহরণ | Reading Comprehension Tips and Tricks in Bengali
বোধ পরীক্ষণ কি | বোধ পরীক্ষণ সমাধানের সঠিক উপায় | বোধ পরীক্ষণের উদাহরণ
কলম 
ডিয়ার স্টুডেন্টস,
আধুনিক শিক্ষা ব্যবস্থায় Comprehension বা বোধ পরীক্ষণ কথাটির সঙ্গে আমরা কমবেশী সকলেই পরিচিত। কিন্তু বোধ পরীক্ষণ সম্বন্ধে তথা বোধ পরীক্ষণ বা কমপ্রিহেনশন কি এবং বোধ পরীক্ষণ কীভাবে করা হয় এই নিয়ে অনেকেরই মধ্যে তেমন স্বচ্ছ ধারণা নেই। তাই আজকের এই প্রতিবেদনে আমরা বোধ পরীক্ষণ বা Comprehension বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করলাম।

বোধ পরীক্ষণ কি এবং কি কি উপায় অবলম্বন করলে সঠিকভাবে বোধ পরীক্ষণ সমাধান করা যায় এই নিয়ে পোস্টটির মধ্যে আলোচনা করা রয়েছে। এছাড়াও উদাহরণ হিসাবে একটি অনুচ্ছেদ দেওয়া আছে, যার মাধ্যমে আপনারা নিজেদের যাচাই করে নিতে পারবেন।

বোধ পরীক্ষণ ::

বোধ পরীক্ষণ বা Comprehension Test কথাটির অর্থ হলো কিছু বোঝা বা হৃদয়ঙ্গম করা। বোধ পরীক্ষণ বা কমপ্রিহেনশন টেস্টের মাধ্যমে পরীক্ষার্থীরা নির্বাচিত অনুচ্ছেদটিকে পড়ে বোধগম্য করতে পারছে কিনা এবং নিজের ভাব ঠিকমতো প্রকাশ করতে পারছে কিনা তা যাচাই করা হয়।

বোধ পরীক্ষণ সমাধানের সঠিক উপায় ::

বোধ পরীক্ষণ সমাধানের সঠিক উপায় গুলি হলো-

প্রশ্নগুলি দ্রুত পরিদর্শন ::

কোনো কাজের ক্ষেত্রে যেমন একটি উদ্দেশ্য থাকে। ঠিক তেমনি আপনারও উচিত হবে অনুচ্ছেদটি পাঠের পূর্বে প্রদত্ত প্রশ্নগুলি অতি দ্রুততার সহিত পরিদর্শন করে নেওয়া। কারণ এ বিষয়ে গবেষণায় শিক্ষার্থীদের ক্ষেত্রে দেখা গেছে যে প্রশ্নগুলি আগে পড়ে বোধগম্য করে নেওয়ার ফলে পাঠটি পড়ার সময়ই উত্তরগুলি খুবই সহজে নির্ণয় করে ফেলতে পারে। তাই আপনারও উচিত হবে প্রদেয় প্রশ্নগুলি দ্রুত পরিদর্শন করা।

অনুচ্ছেদটি মনোযোগ সহকারে পড়া ::

কোনো শিক্ষার্থীরই একটি অনুচ্ছেদ পাঠের ক্ষেত্রে মনোযোগ দীর্ঘক্ষণ স্থায়ী হয় না, তাই আপনাকে পাঠটি খুবই মনোযোগীতার সহিত পাঠ করতে হবে। এবার আপনি হয়তো বলবেন যে অনুচ্ছেদ পাঠের সময় পাঠটা আপনার কিভাবে মনোযোগী হবে ? তাহলে আপনাকে একটা বিষয় সর্বদা লক্ষ্য রাখতে হবে যে এই পাঠটি কেন পড়ছেন বা কেনই পড়ছেন ? অর্থাৎ আমরা যদি আমাদের মনকে এই প্রশ্নই বার বার করি তাহলেই দেখবেন আপনার প্রেষণা আপনাকে অনুচ্ছেদটি পাঠ করতে বাড়তি প্রেরণা দেবে। এইভাবেই আপনি অনুচ্ছেদটি পাঠের ক্ষেত্রে খুবই সহজে মনোযোগী হতে পারবেন।

শারীরিক সুস্থতা কামনা ::

'সুস্থ দেহে সুস্থ মনের বাস' অর্থাৎ সুস্থ শরীরই পারে মনন-চিন্তন শক্তিকে কার্যকরী করতে। তাই আপনি শারীরিক ভাবে সুস্থ না থাকলে কোনো ভাবেই Comprehension Test বা বোধগম্যতার অভিক্ষা সঠিক ভাবে খুবই কম সময়ের মধ্যে সমাধান করতে পারবেন না। তাই আপনার উচিত হবে পরীক্ষাকেন্দ্রে সুস্থ স্বাভাবিক থাকা।

অনুচ্ছেদটি বোধগম্য করা ::

কোনো বিষয় বা ঘটনা সম্পর্কে জানতে গেলে যেমন প্রধান প্রধান পয়েন্ট গুলি আয়ত্ব করা প্রয়োজন, ঠিক তেমনি প্রশ্নগুলি সমাধান করার উদ্দেশ্যে অনুচ্ছেদ বোধগম্য করা প্রয়োজন।

প্রশ্নগুলির উত্তরগুলো চিহ্নিত করুন ::

অনুচ্ছেদটি পাঠের সময় সাথে সাথেই প্রাপ্ত উত্তরগুলিকে চিহ্নিত করার মাধ্যমে প্রশ্নগুলির সমাধান করা সহজ সাধ্য হবে।

বোধ পরীক্ষণের উদাহরণ ::

এখন শুভ্র শরৎকাল। প্রাচীনকালে এই সময় রাজারা দিগ্‌বিজয়ে বাহির হইতেন। আমি কলিকাতা ছাড়িয়া কখনো কোথাও যাই নাই, কিন্তু সেইজন্যই আমার মনটা পৃথিবীময় ঘুরিয়া বেড়ায়। আমি যেন ঘরের কোনে চিরপ্রবাসী, বাহিরের পৃথিবীর জন্য আমার মন সর্বদা কেমন করে। একটা বিদেশের নাম শুনিলেই অমনি আমার চিত্ত ছুটিয়া যায়। তেমনি বিদেশী লোক দেখিলেই অমনি নদী-পর্বত, অরণ্যের মধ্যে একটা কুটিরের দৃশ্য মনে উদয় হয় এবং একটা উল্লাসপূর্ণ স্বাধীন জীবনযাত্রার কথা কল্পনায় জাগিয়া উঠে।

০১.গল্প কথকের বাড়ি কোথায়?
ⓐ কলকাতায়
ⓑ ব্যাঙ্গালুরুতে
ⓒ চন্দননগরে
ⓓ বাংলাদেশে

০২.‘দিগ্‌বিজয়’ শব্দটির সন্ধিবিচ্ছেদ করুন-
ⓐ দিগ্‌ + বিজয়
ⓑ দিক্‌ + বিজয়
ⓒ দিক্‌ + বীজয়
ⓓ কোনটিই নয়

০৩.‘চিরপ্রবাসী’ শব্দের সমাস নির্ণয় করুন-
ⓐ চিরকালব্যাপী প্রবাসী
ⓑ চির প্রবাসী যে
ⓒ চির প্রবাসী
ⓓ কোনটিই নয়

০৪.কী দেখামাত্র গল্পকথকের নদী-পর্বত, অরণ্যের কথা মনে আসে?
ⓐ গাড়ি
ⓑ বিদেশী মানুষ
ⓒ বাইরের ধানক্ষেত
ⓓ বন্ধু-বান্ধব

০৫.উদ্ধৃতাংশটি যে গল্প থেকে নেওয়া তার রচয়িতা কে?
ⓐ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
ⓑ প্রভাত কুমার মুখোপাধ্যায়
ⓒ বনফুল
ⓓ শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়